বগুড়ায় মদপানের পর এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী তরুণী।
সোমবার (১৮ মে) সকালে বগুড়া সদর থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। এর আগে রোববার রাতে বগুড়া মহানগরীর ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মহানগরীর ফুলবাড়ি দক্ষিণ হাজীপাড়ার রায়হানের ছেলে মো. কাওসার (১৯), ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়ার মৃত হাতেম আলী পাইকারের ছেলে বাঁধন পাইকার (১৯) এবং উত্তর কাটনারপাড়া এলাকার গোলাম রব্বানীর ছেলে মোঃ রকি (১৯)।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে আসামিদের পূর্ব পরিচয় ও বন্ধুত্ব ছিল। রোববার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী মহানগরীর পুলিশ প্লাজার সপ্তম তলায় ‘লাক জোন’ নামে একটি দোকানে যান। সেখানে আগে থেকেই কাওসার, বাঁধন, সাদিক ও আরও একজন উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা একসঙ্গে মদপানের পরিকল্পনা করেন এবং একটি হোটেল থেকে মদ সংগ্রহ করেন।
এরপর রাত সোয়া ১০টার দিকে তারা ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন শ্মশানঘাট সড়কের পাশে একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে যান। সেখানে রনি নামে আরও একজন তাদের সঙ্গে যোগ দেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, মদপানের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা পালাক্রমে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে বাঁধন তাকে ঘটনাস্থল থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় শিববাটির বিগবাজার এলাকায় পৌঁছালে তরুণী চিৎকার করে পথচারীদের সহযোগিতা চান। এ সময় বাঁধন পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে ফুলবাড়ি ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, ধর্ষণের শিকার তরুণী সোমবার সকালে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী তরুণীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকালে বগুড়া সদর থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। এর আগে রোববার রাতে বগুড়া মহানগরীর ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মহানগরীর ফুলবাড়ি দক্ষিণ হাজীপাড়ার রায়হানের ছেলে মো. কাওসার (১৯), ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়ার মৃত হাতেম আলী পাইকারের ছেলে বাঁধন পাইকার (১৯) এবং উত্তর কাটনারপাড়া এলাকার গোলাম রব্বানীর ছেলে মোঃ রকি (১৯)।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে আসামিদের পূর্ব পরিচয় ও বন্ধুত্ব ছিল। রোববার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী মহানগরীর পুলিশ প্লাজার সপ্তম তলায় ‘লাক জোন’ নামে একটি দোকানে যান। সেখানে আগে থেকেই কাওসার, বাঁধন, সাদিক ও আরও একজন উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা একসঙ্গে মদপানের পরিকল্পনা করেন এবং একটি হোটেল থেকে মদ সংগ্রহ করেন।
এরপর রাত সোয়া ১০টার দিকে তারা ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন শ্মশানঘাট সড়কের পাশে একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে যান। সেখানে রনি নামে আরও একজন তাদের সঙ্গে যোগ দেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, মদপানের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা পালাক্রমে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে বাঁধন তাকে ঘটনাস্থল থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় শিববাটির বিগবাজার এলাকায় পৌঁছালে তরুণী চিৎকার করে পথচারীদের সহযোগিতা চান। এ সময় বাঁধন পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে ফুলবাড়ি ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, ধর্ষণের শিকার তরুণী সোমবার সকালে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী তরুণীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বগুড়া প্রতিনিধি: